সুনামগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬ , ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চুমু বা আদরের আড়ালে শৈশবের অস্বস্তি ও ট্রমার গল্প জামালগঞ্জে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন প্রত্যয় স্কুলে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন জগন্নাথপুরে সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ২, গ্রেফতার ৪ জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ‎জামালগঞ্জে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, গ্যাসের অতিরিক্ত দাম নেওয়ায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সুনামকণ্ঠে সংবাদ প্রকাশের পর দুই প্রতিবন্ধী সন্তান পেল হুইলচেয়ার সুনামগঞ্জে নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত, মাদকাসক্ত চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার আহ্বান আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ বক্তব্য সরকারের জন্য বিব্রতকর, আমাদের ভাবিয়ে তুলছে: রিজভী বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত ছাতকে বন বিটের ৩০ হাজার চারা উপড়ে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা দুর্গম হাওরে ব্যাহত প্রসূতিসেবা, সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছানোই চ্যালেঞ্জ, নৌ-অ্যাম্বুলেন্স ও ভাসমান হাসপাতালের দাবি জগন্নাথপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫ ‘বায়োগ্যাস উৎপাদন করুন, জ্বালানি খরচ সাশ্রয় করুন’-জেলা প্রশাসক মিনহাজুর রহমান সমাজের প্রতিটি সমস্যা মোকাবেলায় সবাইকে কাজ করতে হবে : জেলা প্রশাসক ‘ভুয়া আইডি খুলে ধর্মীয় উসকানির’ অভিযোগে করেছিলেন জিডি, বিক্ষোভের মধ্যে পুলিশ নিল হেফাজতে বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশনে ১ কোটি ৮৬ লাখ টাকার গরমিলের অভিযোগ, প্রধান আসামি আটক ব্রিটিশ বাংলাদেশি মিডিয়াতে অবদান রাখায় ‘মিডিয়া এক্সিলেন্স’ সম্মাননা পেলেন সুনামগঞ্জের সাংবাদিক আ স ম মাসুম ‘গ্রাম সরকার’ গঠনের উদ্যোগ ছাতকে সড়ক দুর্ঘটনায় নারীসহ আহত ৫
জেলা প্রশাসকের মানবিক উদ্যোগ

হাসি ফুটলো সেরিব্রাল পালসি আক্রান্ত শিশু রুমেজার মুখে

  • আপলোড সময় : ১৭-০৬-২০২৫ ০৮:০২:৩৬ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৭-০৬-২০২৫ ০৮:৩৫:২৪ পূর্বাহ্ন
হাসি ফুটলো সেরিব্রাল পালসি আক্রান্ত শিশু রুমেজার মুখে
স্টাফ রিপোর্টার ::
দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে একটি ওয়াকার (সহায়ক সরঞ্জাম) পেলেন ছয় বছর বয়সী সেরিব্রাল পালসি (তীব্র) আক্রান্ত শিশু মোছা. রুমেজা। বিনামূল্যে ওয়াকার পেয়ে হাসি ফুটেছে তাঁর চোখে-মুখে।
সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়ার মানবিক উদ্যোগে এবং জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহযোগিতায় সোমবার (১৬ জুন) দুপুরে এই ওয়াকারটি বিতরণ করা হয়।
শিশু রুমেজার পক্ষে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে এক আবেগঘন মুহূর্তে রুমেজার বাবা সবুজ মিয়া তার মেয়ের জন্য ওয়াকারটি গ্রহণ করেন। এই ওয়াকারটি রুমেজাকে চলাফেরায় সাহায্য করবে এবং তার জীবনকে আরও সহজ করে তুলবে বলে আশা তাঁর।
জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়ার নির্দেশনায় সমাজ সেবা কার্যালয়ে ওয়াকারটি বিতরণ করেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের কনসালট্যান্ট (ফিজিওথেরাপি) ডা. মো. তানজিল হক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক তানভীর আহমেদ।

শিশু রুমেজা তাহিরপুর উপজেলার সুলেমানপুর গ্রামের কৃষক সবুজ মিয়ার মেয়ে। রুমেজার বাবা সবুজ মিয়া, দীর্ঘদিন ধরে তার প্রতিবন্ধী মেয়ের হাঁটা শেখার সহায়ক সরঞ্জাম হিসেবে একটি ওয়াকারের সন্ধানে উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে যোগাযোগ করছিলেন। কিন্তু কাঙ্খিত সাহায্য না পাওয়ায় হতাশায় ভুগছিলেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যম সূত্রে এই বিষয়টি জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়ার নজরে আসে। তিনি কালক্ষেপণ না করে তাৎক্ষণিকভাবে রুমেজাকে একটি ওয়াকার উপহার দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানান। রুমেজার বাবা সবুজ মিয়া বলেন, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন অফিসে ঘুরাঘুরি করছি, সবাই শুধু মিথ্যা আশ্বাস দিছে। কিন্তু বাস্তবে কথার সাথে কোনো মিল পাইছি না। যখনই ডিসি স্যার বিষয়টি জানতে পারলেন তখনই তিনি আশ্বস্ত করেন যে আমার মেয়েকে একটা ওয়াকার দিবেন। আজকে হাতে পেয়ে আমি ও আমার পরিবারের সকল সদস্য অত্যন্ত আনন্দিত। ডিসি স্যারকে আমার পরিবারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
সাংবাদিক তানভীর আহমেদ বলেন, প্রতিবন্ধী রুমেজার বাবা আমাকে তাঁর মেয়ের সমস্যার কথা জানিয়েছিলেন। এই বিষয়ে আমি ফেসবুকে একটি পোস্ট করার পাশাপাশি জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সাথে কথা বলি। এসময় তিনি তাৎক্ষণিক আমাকে জানিয়েছিলেন শিশু রুমেজাকে দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি ওয়াকার প্রদান করবেন। আজকে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় জেলা প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের মাধ্যমে ঐ শিশুর পিতার হাতে একটি ওয়াকার হস্তান্তর করা হয়েছে। ওয়াকার পেয়ে শিশুটির পরিবার সন্তুষ্টি প্রকাশ করার পাশাপাশি জেলা প্রশাসক মহোদয়কে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
সুনামগঞ্জ জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের কনসালট্যান্ট (ফিজিওথেরাপি) ডা. মো. তানজিল হক বলেন, জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশনায় আমরা প্রতিবন্ধী শিশু রুমেজাকে একটি সহায়ক সরঞ্জাম ‘ওয়াকার’ দিয়েছি। এটি রুমেজাকে চলাফেরায় সাহায্য করবে।
জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে একটি ওয়াকার প্রদানের মাধ্যমে রুমেজার চলাচলের পথ কিছুটা হলেও সুগম করতে পেরেছি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কাজগুলো অব্যাহত রাখার কথা জানান তিনি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
দুর্গম হাওরে ব্যাহত প্রসূতিসেবা, সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছানোই চ্যালেঞ্জ, নৌ-অ্যাম্বুলেন্স ও ভাসমান হাসপাতালের দাবি

দুর্গম হাওরে ব্যাহত প্রসূতিসেবা, সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছানোই চ্যালেঞ্জ, নৌ-অ্যাম্বুলেন্স ও ভাসমান হাসপাতালের দাবি